ড. মিজানুর রহমান আজহারি স্বপ্ন দেখেন একটি আলোকিত ও সত্য-সুন্দর সমাজের। দেশের প্রতিটি মানুষ দক্ষ, সচেতন ও সঠিক মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবে— এমনটাই তাঁর চাওয়া। আদর্শ প্রজন্ম ও সমাজ বিনির্মাণে তিনি প্রতিনিয়ত মেধা-শ্রম ব্যয় করে যাচ্ছেন। ড. আজহারি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, টেকসই উন্নয়ন ও নৈতিকতাবোধ-সম্পন্ন আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনে মূল হাতিয়ার— সুশিক্ষা। আর নিঃসন্দেহে, সুশিক্ষা নিশ্চিত হয়, যথোপযুক্ত শিক্ষাকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে।
একটি আদর্শ শিক্ষাকাঠামোয় কেবলমাত্র জাগতিক চাওয়া-পাওয়াই শেষ কথা নয়। বরং পার্থিব-অপার্থিব— উভয় চেতনার মিশেলে যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা-ই একজন মানুষকে আদর্শবান করে তোলে। শিক্ষার এই দর্শনকে ধারণ করেই ড. মিজানুর রহমান আজহারি প্রতিষ্ঠা করেছেন হাসানাহ ফাউন্ডেশন। বাস্তবিক অর্থে, শিক্ষার মানোন্নয়নে হাসানাহ ফাউন্ডেশন জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে চায়। আর এ-লক্ষ্য অর্জনে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বেশকিছু ইনডোর-আউটডোর প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ, হাসানাহ ফাউন্ডেশনের সকল শুভানুধ্যায়ীকে আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে, ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষভাবে পরিচালনার স্বার্থে শায়খ আজহারি এখন থেকে দেশেই অবস্থান করবেন, ইন শা আল্লাহ ।
হাসানাহ ফাউন্ডেশনের সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে এবং মেম্বারশিপ নিতে আগ্রহীদের জন্য সুযোগ উন্মুক্ত।
শিক্ষাখাতে গঠনমূলক অবদান রাখতে বিভিন্ন প্রজেক্টে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমে ফিনান্সিয়ালি কন্ট্রিবিউট করে বৃহত্তর কল্যাণে অংশ নিন।
যেসকল সুহৃদ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের সাথে একাত্মতা পোষণ করে শিক্ষাখাতে গঠনমূলক অবদান রাখতে আগ্রহী, তাদেরকে নিচের ফর্মটি পূরণের জন্য বিনীত আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে নবজাগরণ সৃষ্টিতে হাসানাহ ফাউন্ডেশনকে আল্লাহ কবুল করুন। ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ সকলের কাছে আন্তরিক দুআ প্রত্যাশী।